পাবনা সদরে এক আবাসিক মহিলা মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসার পরিচালক আবু ইউসুফকে আটক করেছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
পাবনা সদরের ভাঁড়ারা ইউনিয়নের ভাউডাঙ্গা কালুরপাড়া এলাকার ‘নূরে মদিনা আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা’। অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসার পরিচালক আবু ইউসুফ চতুর্থ শ্রেণির এক কোমলমতি শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক তার নিজের শয়নকক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
এ সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর আরেক সহপাঠী ঘটনাটি দেখতে পেয়ে দ্রুত বাইরে
গিয়ে স্থানীয় লোকজনকে ডেকে আনে। পরে স্থানীয়রা এসে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার
করেন এবং অভিযুক্ত পরিচালককে হাতেনাতে আটক করেন। এই খবর ছড়িয়ে
পড়লে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা
মাদ্রাসায় চড়াও হয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
আটক আবু ইউসুফ আতাইকুলা থানার খালিশপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুবের ছেলে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও ওই পরিচালকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সাথে অসদাচরণের মৌখিক অভিযোগ ছিল।
এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চাচা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
আবাসিক মাদ্রাসার মতো সংবেদনশীল জায়গায় এমন অপরাধ শুধু একটি শিশুর জীবনকেই বিপন্ন করে না, বরং পুরো শিক্ষাব্যবস্থার নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
